rss

সেহরি ও ইফতার | রমজান-

শিরোনাম
বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ফ্রান্স, বিৃবতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র <> 'অধিকার' সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক নাসির উদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন <> অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রল বোমায় দগ্ধ বীমা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার (৩৮) ও ফল ব্যবাসায়ী মো. ফরিদ (৫০) মারা গেছেন <> সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা হলে তার পরিণাম হবে আত্মঘাতী, মন্তব্য যোগাযোগমন্ত্রীর <> ভারতের মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে এক নারীসহ অন্তত ৯ জন নিহত
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৫, ০২:১৬:৪৩অ-অ+
printer

বিমানবন্দরে পার্কিং বাণিজ্য

আলতাব হোসেন ও শহিদুল আলম

নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কার পার্কিং ইজারা দেওয়া হচ্ছে। ইজারাদাররা খুশিমতো গাড়ি পার্কিং ফি বাড়িয়ে দিচ্ছেন, গাড়িচালকদের হয়রানি করছেন আর তাদের সহযোগী হচ্ছেন সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন অনুযায়ী, ৫ লাখ টাকার বেশি সরকারি স্থাপনা ইজারা দিতে হলে দরপত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতাকে বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম। কিন্তু আলোচিত বিমানবন্দরগুলোতে মাত্র ১০ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করে দরপত্র আহ্বান না করেই পূর্বের ঠিকাদারকেই বছরের পর বছর ইজারা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাড়ানো হয়েছে যানবাহনের পার্কিং ফিও। তাও মানছেন না ইজারাদার। যানবাহন থেকে নির্ধারিত মূল্যের এক থেকে দেড়গুণ বাড়তি টাকা আদায় করছেন। গাড়ির চালকরা এখন ইজারাদারদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন।গাড়ি পার্কিং ইজারা নিয়ে এতসব অনিয়মের পেছনে রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এই সিন্ডিকেটে রয়েছে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের স্বজন ও সিভিল এভিয়েশনের কর্মী।শাহজালালের চিত্র : সিভিল এভিয়েশন ও বিমানবন্দর সূত্র জানায়, উত্তরা থানা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ সফিকুল ইসলামের মালিকানাধীন সফিক অ্যান্ড ব্রাদার্সকে বহির্গমন কনকোর্স হল ২০ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্সসহ ৬ কোটি ৯০ লাখ এবং আসিফ অ্যান্ড ব্রাদার্সকে বহুতল কার পার্কিং ৫ কোটি ৭৭ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছে। তিনি ঢাকা কাস্টম হাউসের সামনে একটি রেস্টুরেন্টের ইজারাও পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সিভিল এভিয়েশনের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে গত ৫ বছর এককভাবে ইজারা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

ভ্যাট-ট্যাক্সসহ ৪ কোটি ৮৬ লাখ টাকায় আগমনী কনকোর্স হলের ইজারা পেয়েছে আওয়ামী লীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান খানের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তানহা ট্রেডার্স। কনকোর্স হলে দর্শনার্থী প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ৩০০ টাকা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশের বেলায় টাকা দেওয়ার নিয়ম নেই। অথচ ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশের জন্য ইজারা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতারণা করে টিকিট ছাপিয়ে জনপ্রতি ৩০০ টাকা নিচ্ছে।সরেজমিনে দেখা গেছে, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সৌদি আরব থেকে দেশে আসা ছেলে তানহাকে আনতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েন ঢাকা নবাবগঞ্জের শাহেনা আক্তার। তিনি গত বুধবার ভাড়া মাইক্রোবাস নিয়ে বিমানবন্দরে এসে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১ নম্বর ক্যানোপি পার্কিং এলাকায় যেতে চান। কিন্তু এর আগেই কনকোর্স হল ইজারাদার কর্মীরা তার কাছে অবৈধভাবে ৩০০ টাকার টিকিট দাবি করে। ফলে বাধ্য হয়েই ৩০০ টাকার টিকিট কেনেন শাহেনা আক্তার। এমনিভাবেই প্রতারণার শিকার হয়ে টিকিট কিনে ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশ করতে হচ্ছে বিমান যাত্রীদের স্বাগত জানাতে আসা স্বজনদের।

অথচ যাত্রী কিংবা তাদের স্বজনদের হয়রানি ও প্রতারণার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ইজারাদার ওয়াহিদুর রহমান খান। তিনি সমকালকে বলেন, ক্যানোপি এলাকায় প্রবেশের জন্য টিকিটের মাধ্যমে বাড়তি টাকা নেওয়ার ঘটনা তার জানা নেই। তার দাবি, তারা স্বচ্ছতার মাধ্যমেই ইজারা পেয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। চুক্তির বাইরে টাকা নেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। আর ব্যবসার ক্ষেত্রে তিনি রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করেন না।বিভিন্ন কর্মকর্তার যোগসাজশে বহির্গমন কনকোর্স হলে প্রবেশের টিকিট ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ এবং বহুতল কার পার্কিং প্রবেশ ফি প্রথম তিন ঘণ্টার জন্য গাড়িপ্রতি ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০০ টাকা (নির্ধারিত সময়ের পর প্রতি ঘণ্টার জন্য ৪০ টাকা)। ভুক্তভোগীরা জানান, প্রায় সময়ই নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট আসছে না। অথচ এ জন্য অতিরিক্ত পার্কিং ফি দিতে হচ্ছে। সে সঙ্গে পরিবহন দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেক যাত্রী এবং তাদের স্বজনরা অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মাঝে মধ্যে বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে দালালদের জেল-জরিমানা করলেও তারা আবারও সক্রিয় হচ্ছে। সফিকুল ইসলাম ও ওয়াহিদুর রহমান খান সিন্ডিকেটের আরেক প্রতিষ্ঠান ইয়ার ইন্টারন্যাশনালকে ৮৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায় অভ্যন্তরীণ টার্মিনালের কার পার্কিং লিজ দেওয়া হয়েছে। এখানেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় ও যাত্রী হয়রানির অভিযোগ রয়েছে।

শাহজালালে গাড়ি পার্কিং এলাকায় ইজারা প্রতিষ্ঠানের লাইনম্যানরা পুরো এলাকা নিয়ন্ত্রণ করেন। তারা চাহিদামতো বখশিশ না পেলে গাড়ি পাঠিয়ে দেন পেছনের সারিতে। সহজে যাত্রী পেতে বাধ্য হয়েই লাইনম্যানকে ৫০ থেকে দেড়শ' টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় সিএনজি, কার ও মাইক্রো চালকদের। গত ১৩ জুন দুপুরে প্রাইভেটকার চালক সাগর মাহমুদ তার অফিসের এক কর্মকর্তাকে নিতে বিমানবন্দরে আসেন। তিনি বলেন, বাড়তি ১০০ টাকা দিয়ে দিয়ে তিনি পার্কিংস্থলের সামনে গাড়ি রাখার সুযোগ পেয়েছেন। তাকে এই টাকার রশিদ দেওয়া হয়নি। আরেক চালক আসগর আলী বলেন, তিনি দুবাই থেকে আসা এক আত্মীয়কে নিতে টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। ১০০ টাকায় টিকিট কেটে দেখেন, পার্কিংয়ে কোনো জায়গা খালি নেই। তিনি বিষয়টি লাইনম্যানদের জানালে তারা ৫০ টাকা বখশিশ নিয়ে গাড়ি রাখার জায়গা করে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইজারাদার সফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, কার পার্কিংয়ে বেশি টাকা নেওয়ার অভিযোগ তিনি এই প্রথম শুনেছেন। তিনি কনকোর্স হল এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রেও বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, কারও কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় না। কার পার্কিং এলাকায় সিভিল এভিয়েশনের দু'জন ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। তাদের চোখ এড়িয়ে বাড়তি টাকা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সরকারি ও ভিআইপি যাত্রীদের গাড়ি রাখার জন্য আলাদা পার্কিং জোন আছে। তবে খোলা মাঠে গাড়ি রাখলে গাড়িপ্রতি ২০ টাকা কম এবং বিল্ডিংয়ে রাখলে প্রতি তিন ঘণ্টার জন্য ১০০ টাকা দিতে হয়। সফিকুল ইসলাম রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে কাজ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক (অ্যারোএটিএস) এস এইচ মুরাদি বলেন, কার পার্কিং ইজারা নিয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি। দরপত্রের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে কার পার্কিং ইজারা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।

সূত্র জানায়, প্রতিদিন এই বিমানবন্দরে ওঠানামা করে ১২০ থেকে ১৩০টি ফ্লাইট। যাত্রীর সংখ্যা ১৫ থেকে ২০ হাজার। যাত্রীদের বিদায় ও অভ্যর্থনা জানাতে আসেন ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ। বছরে গড়ে ৫০ লাখ মানুষ এ বিমানবন্দরে আসা-যাওয়া করেন। তবে বখশিশ ও লাগেজ চুরিসহ নানাভাবে যাত্রীদের হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। তা ছাড়া সক্রিয় রয়েছে দালাল, পকেটমার ও প্রতারকচক্র। রয়েছে স্বর্ণ, মুদ্রা ও সিগারেট চোরাচালানি সিন্ডিকেট। এসব অবৈধ কাজে প্রতিদিন বিমানবন্দরে লাখ লাখ টাকা লেনদেন হয়।

শাহ আমানতের চিত্র :সরেজমিন দেখা গেছে, শাহ আমানত বিমানবন্দরের পার্কিং স্পেস ব্যবহারের জন্য একটি সাইনবোর্ডে নির্ধারিত তালিকা লিখে রাখা হয়েছে। সিএনজি ২৫, কার ও মাইক্রোবাস ৬০ এবং বাস ও মিনিবাস ১৫০ টাকা। তিন ঘণ্টার বেশি পার্কিং স্পেস ব্যবহার করলে সিএনজি ২০, কার ও মাইক্রোবাস ৫০ এবং বাস ও মিনিবাসকে ১২০ টাকা দিতে হচ্ছে। অথচ এ জন্য রসিদ দেওয়া হয় না। প্রতিবাদ করলে নেমে আসে নির্যাতনের খড়্গ। গত ১৮ মে সিএনজিচালক মোহাম্মদ সিরাজ বলেন, 'ভাড়া নিয়ে এসেছি। ২৫ টাকা দিয়ে ভেতরে ঢোকার আড়াই ঘণ্টা পর জোর করে ২০ টাকা নেয় ইজারাদারের লোক। দিতে না চাইলে গাড়ির চাবি নিয়ে যেতে চায় তারা।'এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইজারাদার মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ ও আলমগীর হোসেন কোনো কথা বলতে চাননি। বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার নূর ই আলম সমকালকে বলেন, অবৈধভাবে ফি কিংবা টাকা আদায়ের কোনো অভিযোগ তার কাছে নেই। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্তের পর নবায়ন চুক্তি বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরের মূল গাড়ি পার্কিং ইজারা পান ৪১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সালেহ আহম্মদ চৌধুরীর আত্মীয় মেসার্স করিম অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ। এ প্রতিষ্ঠানের আরেক কর্ণধার শাহ আমানতের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের রেডিও মিস্ত্রি (আরএম) শাখার কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন। তিনি পার্কিং এলাকার সুপারভাইজারের দায়িত্বও পালন করেন। তাদের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন সিভিল এভিয়েশনের দুই কর্মচারী নিজাম ও মেশকাত। এই সিন্ডিকেটের আরেক সদস্য অভ্যন্তরীণ কার পার্কিং ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাত্তার অ্যান্ড ব্রাদার্সের কর্ণধার স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ভাগিনা আবদুস সাত্তার। সংঘবদ্ধ এ সিন্ডিকেটই সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে টেন্ডার আহ্বান করতে না দিয়ে ছলচাতুরী ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে নামমাত্র মূল্যে গাড়ি পার্কিং ইজারা হাতিয়ে নিয়েছে। ২০১৩ সালে ৬৫ লাখ টাকায় ইজারা পেলেও ইজারাদারের এক আবেদনে ২০১৪ সালে ১০ শতাংশ বর্ধিত ফি দিয়ে আরও এক বছরের জন্য ইজারা নবায়ন করে কর্তৃপক্ষ।

ওসমানীর চিত্র :ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরেই গাড়ি নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন চালকরা। নির্ধারিত কার পার্কিংয়ের ধারেকাছেও যেতে চান না। পার্কিংয়ের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হয় বলে চালকরা গাড়ি পার্ক না করে আশপাশের এলাকায় ঘোরাঘুরি করেন। বিমানবন্দরের প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মাইক্রোবাসচালক আনোয়ার হোসেন জানান, যাত্রীদের নামিয়ে দিয়ে বের হতে গেলেও সমস্যা হয়। পার্কিংয়ের লোকজন গাড়ি থামিয়ে টাকা দাবি করে। পার্কিং জোনের ভেতর গাড়ি রাখার ৩ ঘণ্টা পর প্রতি ঘণ্টা ১০ টাকা হারে বাড়ার কথা থাকলেও বেশি টাকা নেওয়া হয়। একই স্থানে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশাচালক মোশারফ মিয়া বলেন, পার্কিংয়ের ভেতর যাওয়া মাত্রই ২৫ টাকা ফি দিতে হয়। সেখানে অবস্থানের ঘণ্টা দেড়েক পরও বেশি টাকা দাবি করে পার্কিংয়ের লোকজন।

সিলেটের ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজারের বাসিন্দা সৈয়দ তাকরীর হোসেন সমকালকে বলেন, তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য যুক্তরাজ্যে থাকেন। প্রত্যেক মাসে দুই থেকে তিনবার ওসমানী বিমানবন্দরে তাকে যেতে হয়। তিনি জানান, তারা যাত্রীদের সময়মতো নিতে যান বিমানবন্দরে। অনেক সময় বিমান আসতে বিলম্ব করে। বিমান বিলম্বে আসার কারণে পার্কিং জোনে গাড়ি রাখায় বাড়তি টাকা দিতে হয়। ইজারাদার প্রতিষ্ঠান দাইন এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মাহফুজ আহমদ চৌধুরী লিটন বাড়তি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ উদ্দিন সমকালকে বলেন, কেউ ইজারা নীতিমালাবিরোধী কাজ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য
সর্বশেষ ১০ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved