rss

সেহরি ও ইফতার | রমজান-

শিরোনাম
বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ফ্রান্স, বিৃবতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র <> 'অধিকার' সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক নাসির উদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন <> অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রল বোমায় দগ্ধ বীমা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার (৩৮) ও ফল ব্যবাসায়ী মো. ফরিদ (৫০) মারা গেছেন <> সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা হলে তার পরিণাম হবে আত্মঘাতী, মন্তব্য যোগাযোগমন্ত্রীর <> ভারতের মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে এক নারীসহ অন্তত ৯ জন নিহত
প্রিন্ট সংস্করণ, প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৫অ-অ+
printer

থিম্পুতে শুভসূচনা

চার দেশের সহযোগিতা
ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম
বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের পরিবহনমন্ত্রীরা সোমবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের রূপরেখা চুক্তি সই করেছেন। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবির একজন শীর্ষ কর্মকর্তাও থিম্পু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়াতে এ সংস্থাটি আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা জোগাতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। স্পষ্টতই চার দেশের চুক্তি বাস্তবায়নে আর্থিক দিকটি নিয়ে দুর্ভাবনা খানিকটা কমে যাবে।
এ চুক্তির আওতায় দক্ষিণ এশিয়ার চারটি দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক-লরি ও ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল করতে পারবে। এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে সময় কম লাগবে। ব্যয় কমবে। বিনিয়োগ বাড়বে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক, উভয় ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য হতে পারে। এ অঞ্চলের জনগণের এক দেশ থেকে আরেক দেশে চলাচল এবং ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্য অর্জনে এ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, তাতে সন্দেহ নেই। শিল্প-বাণিজ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের যোগাযোগ বৃদ্ধি পেলে উৎপাদনের ক্ষেত্রে নতুন চেইন বা নেটওয়ার্ক তৈরি হতে পারে। যেমন_ এক দেশের কাঁচামাল অন্য দেশে ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদন হবে এবং তা বিক্রি হবে তৃতীয় এক বা একাধিক দেশে। ভুটান কৃষিনির্ভর; কিন্তু শিল্প ভিত খুবই দুর্বল। সেখানের ফল কিংবা আরও কয়েক ধরনের কৃষিপণ্য বাংলাদেশের কারখানায় প্রক্রিয়াজাত করে ভারতে রফতানি করা যেতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশ কিংবা বাইরেও তা রফতানি হতে পারে। এভাবে এ চেইনের সব দেশই কোনো না কোনোভাবে লাভবান হবে। ভুটানের কাঁচামাল নষ্ট হবে না। বাংলাদেশ তার শিল্পের জন্য কাঁচামাল পাবে সহজে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ থেকে আমদানিকারক দেশ বা দেশগুলোও তুলনামূলক কম দামে শিল্পপণ্য তাদের ভোক্তাদের কাছে পেঁৗছাতে পারবে।
এ চুক্তির কারণে পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটবে। ভুটান, নেপাল ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-আসাম-ত্রিপুরায় কেউ ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন। আন্তঃদেশীয় যানবাহনও চলবে। এ কারণে 'কীভাবে যাব'_ সে দুর্ভাবনা বহুলাংশে কমে যাবে। একেবারে নিজের অভিজ্ঞতা বলি_ থিম্পুতে চুক্তি সইয়ের পর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি এ বিষয়ে আমার কাছেই খোঁজখবর করেছেন।
চার দেশের এ চুক্তির ধারাবাহিকতায় সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের মধ্যেও মোটরযান চলাচলের চুক্তি হবে, তাতে সন্দেহ নেই। এ ধরনের একটি চুক্তি ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের মধ্যেও একটি সহযোগিতা ফোরাম রয়েছে। থিম্পু চুক্তি এ সংস্থার মধ্যে সহযোগিতারও মডেল হতে পারে। বাংলাদেশ আসিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দেশ, যেমন ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশে সড়ক বা রেলপথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে ইচ্ছুক। চীনেও এটা সম্ভব। থিম্পু চুক্তি তারই সূচনা বলে ধরে নেওয়া চলে।
এখন জরুরি কাজ হচ্ছে পণ্য পরিবহন খাতের জন্য অবকাঠামো সুবিধা গড়ে তোলা। যাত্রী পরিবহনের জন্য বাস বা রেল চলাচল থাকবে সীমিত। যতই কানেকটিভিটি হোক না কেন ঢাকা-কলকাতা কিংবা কলকাতা-ঢাকা-গৌহাটির মধ্যে দিনে দু'চারটির বেশি বাস চলবে না। ট্রেনের ট্রিপও বেশি হবে না। কিন্তু পণ্য পরিবহনের যানবাহন সংখ্যা সে তুলনায় বেশি হবে। অনেক ভারি যানবাহনও চলবে। এজন্য যারা বিনিয়োগ করবে, তারা লাভবান হতে পারবে। এটা মনে রাখা চাই যে, কানেকটিভিটির প্রধান কেন্দ্র কিন্তু বাংলাদেশ। তৃতীয় কোনো দেশে যেতে হলে আমাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে হবে। আমাদের আয় বাড়ানোর এটা ভালো সুযোগ। কিন্তু একই সঙ্গে ভাবতে হবে অবকাঠামো সুবিধার দিকটি। চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের চাহিদা পূরণেই নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছে। সড়ক ও রেলপথের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা। এখন বাড়তি যুক্ত হবে আরও তিনটি দেশ। তারা তাদের পণ্য আনা-নেওয়ার জন্যও আমাদের অবকাঠামো সুবিধা ব্যবহার করবে। এজন্য বিশেষভাবে সড়ক নির্মাণ হতে হবে স্ট্যান্ডার্ড অপারেশন প্রসিডিউর অনুযায়ী। অন্য দেশের যানবাহন চললে তারা কীভাবে জ্বালানি নেবে এবং তার মূল্য কী হবে, সেটা চূড়ান্ত করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে টোল হার নির্ধারণ। বাংলাদেশ এজন্য সর্বোচ্চ আয় করতে চাইবে, এটাই স্বাভাবিক। অন্যদিকে, আমাদের সুবিধা ব্যবহারকারীরা চাইবে যত কম দিয়ে পারা যায়। বাংলাদেশের তরফে বলা হয়েছে, বিশ্ববাণিজ্য চুক্তির ধারা অনুযায়ী চার্জ-ফি ধার্য করা হবে। এজন্যও সংশ্লিষ্ট চার দেশের মধ্যে আলোচনা হতে হবে।
ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের পাশাপাশি কিন্তু নতুন চ্যালেঞ্জও সৃষ্টি হবে। যে কোনো দেশের জন্যই অন্য দেশের পণ্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। অন্য দেশের বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি যে, এখন ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাংলাদেশের প্রাণ গ্রুপের কয়েকটি পণ্য ভালো বাজার পেয়েছে। সেখানে তাদের প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠান তেমন নেই। কিন্তু ভারত যদি বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পণ্য পরিবহনের সুবিধা লাভ করে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ কিংবা অন্য কোনো রাজ্যের পণ্য সহজেই আসাম বা ত্রিপুরায় যেতে পারবে। এর ফলে প্রাণ গ্রুপ ওই সব রাজ্যে ভারতীয় পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পড়বে। এভাবে বাংলাদেশ ভারতকে যে সুবিধা সৃষ্টি করে দিয়েছে, তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বাংলাদেশেরই একটি কোম্পানি। বাংলাদেশ চার্জ-টোল থেকে লাভবান হবে; কিন্তু অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনাও সৃষ্টি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চার্জ-টোল হার নির্ধারণে সতর্কতা কাম্য, যাতে আমাদের উৎপাদক ও রফতানিকারকরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হন।
চার দেশের আলোচনায় মানুষ ও পণ্য বহন করা যানবাহনের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হবে। আন্তর্দেশীয় চোরাচালান চক্র এ কানেকটিভিটির সুবিধা ব্যবহারে তৎপর হতে পারে। এতদিন আমরা ওয়াগন ব্রেকার চক্রের কথা শুনেছি। তারা পণ্যবাহী কনটেইনার, রেলবগি বা ট্রাক থেকে পথিমধ্যে পণ্য সরিয়ে নেয়। বাংলাদেশের ভেতরেও তারা সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলের সময় কীভাবে ভেতরের পণ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে, সে প্রশ্ন অনেকে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ করতে শুরু করেছেন। নিষিদ্ধ পণ্য কোনোভাবেই পরিবহন করা যাবে না। এ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত শুল্ক আইন রয়েছে। প্রয়োজনে তা আরও হালনাগাদ করা যেতে পারে। এখন অবশ্য যানবাহনের সঠিক অবস্থান মনিটর করার অত্যাধুনিক প্রযুক্তি রয়েছে। বাংলাদেশের অনেক গাড়িতে এমন প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে, যাতে সেটির প্রতি মুহূর্তে অবস্থান জানা যায়। অনেক দেশে জিপিএস বা গ্গ্নোবাল পজিশনিং সিস্টেম চালু হয়েছে। এতে চলন্ত গাড়ি কোথাও থামানো এবং তা থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পণ্য সরিয়ে ফেলা হচ্ছে কিনা সেটা অনেক দূর থেকেও মনিটরিং সম্ভব। এ ধরনের সুবিধা চার দেশের ক্ষেত্রেও চালু করা চাই।
বাংলাদেশের সড়কপথ সর্বত্র অভিন্ন মানের নয়। নেপাল ও ভুটানকে উত্তরাঞ্চলের সড়কপথে যাতায়াত সুবিধা দিতে তেমন সমস্যা হবে না। সেখানে যানজটও তেমন তীব্র নয়। কিন্তু মংলা বন্দর-খুলনা হয়ে সড়কপথে ঢাকা বা অন্য কোনো রুটে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে যেতে সমস্যা হবেই। পদ্মা সেতু চালু হলে পথের বড় বাধা দূর হবে। কিন্তু একই সঙ্গে তা সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়াবে। এখন আমরা ঢাকা-কুমিল্লা-চট্টগ্রাম সড়কে যানজট সমস্যা দেখছি। পথ প্রশস্ত ও মজবুত না হলে অন্য দেশকে সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে না। এ কারণে ভারতের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে নদী ও সমুদ্রপথ বেশি করে ব্যবহারের বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। আশুগঞ্জ নৌবন্দর চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হওয়া অনেক পণ্য নদীপথে সেখানে আনা সম্ভব হবে। তার পর যাবে স্থলপথে আখাউড়া হয়ে ভারতে। পার্বত্য চট্টগ্রাম হয়ে মিজোরামে একটি আউটলেট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটিও সম্ভাবনাময় হবে। বাংলাদেশ ট্রান্স এশিয়ান রেল ও সড়ক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের বিষয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তিতে সই করেছে। এ উদ্যোগ অশেষ সম্ভাবনাময়। আমাদের মনে রাখা চাই যে, চার দেশের বাণিজ্য বাড়াতে যে অবকাঠামো তৈরি করা হবে তা অন্য দেশও ব্যবহার করবে। অথচ আমাদের অনেক সড়ক এখন পর্যন্ত নিজেদের প্রয়োজন মেটাতেও যথেষ্ট নয়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের মাত্র ৯ শতাংশ সড়ক আন্তর্জাতিক মানের। ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে চাইলে এ পথে বিপুল বিনিয়োগ করতেই হবে। এজন্য আন্তর্জাতিক ও দেশীয় উভয় ধরনের বিনিয়োগ কাম্য। সমুদ্রবন্দরেও বিনিয়োগ প্রয়োজন।
ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের প্রধান অংশ সম্পাদিত হয় বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। আরও কয়েকটি সচল স্থলবন্দর রয়েছে। এগুলো আন্তর্জাতিক মানের হতে হবে। পণ্য পরীক্ষার জন্য চাই উপযুক্ত সরঞ্জাম। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে কানেকটিভিটি সংশ্লিষ্ট খাতে ১০০ কোটি ডলারের মতো ঋণ জোগাতে সম্মত হয়েছে। ভারত ইতিমধ্যে ১০০ কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে এবং আরও ২০০ কোটি ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে। এসব অর্থ প্রয়োজনীয় সুবিধা সৃষ্টির জন্য ব্যবহার করা হবে। যেমন, খুলনা থেকে মংলা পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ। নদ-নদীর ড্রেজিংয়েও ভারতের ঋণ ব্যবহার হবে।
সন্দেহ নেই যে, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলাই হবে আগামী দিনগুলোর প্রধান চ্যালেঞ্জ। এক বা দুই মাসে এ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। এটাও মনে রাখতে হবে, আঞ্চলিক কানেকটিভিটি থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রধান সুবিধা ভোগ করবে ভারত। সুতরাং তাদের বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে দ্বিধা করা উচিত হবে না। তবে পণ্য ও মানুষ চলাচলে ট্রানজিটের দেশটি মূলত হবে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে কোথায় কী সমস্যা হতে পারে এবং কীভাবে তা দূর হবে, সে বিষয়ে আমাদের যথাযথ পরিকল্পনা থাকা চাই। আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো গড়ে তুলতে না পারলে চুক্তি বাস্তবায়নের কাজ বিঘি্নত হবে।
সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। এ সময়ে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো বাস্তবায়ন হলে উভয় দেশের জন্য লাভ আসবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং বিশ্বব্যাংকও আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রসারে আমাদের পাশে দাঁড়াতে চায়। এ ধরনের প্রতিটি সুযোগ যত দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাতে পারব, ৫-৬ বছরে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া এবং সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে উন্নত বিশ্বের সারিতে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ তত দ্রুততর হবে।
ষ অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক, সেন্টার
ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)
মন্তব্য
সর্বশেষ ১০ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved