rss

সেহরি ও ইফতার | রমজান-

শিরোনাম
বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ফ্রান্স, বিৃবতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র <> 'অধিকার' সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক নাসির উদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন <> অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রল বোমায় দগ্ধ বীমা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার (৩৮) ও ফল ব্যবাসায়ী মো. ফরিদ (৫০) মারা গেছেন <> সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা হলে তার পরিণাম হবে আত্মঘাতী, মন্তব্য যোগাযোগমন্ত্রীর <> ভারতের মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে এক নারীসহ অন্তত ৯ জন নিহত
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০১৪, ০১:৫৫:২৮অ-অ+
printer

ডেসটিনির শত কোটি টাকা পাচার

হকিকত জাহান হকি

ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ অন্য কর্মকর্তারা বিদেশে পাচার করেছেন ১০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের আওতায় গাছের প্যাকেজে প্রবাসী বাঙালি বিনিয়োগকারীদের সম্মানী বাবদ ৫৬ কোটি ১৯ লাখ ৯ হাজার ৪০ টাকা পাচার করা হয়। এ ছাড়া মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) ব্যবসার নামে বিমান লিজ, বিমানের পার্টস আমদানি, বৈদেশিক ত্রুক্রদের বেতন-ভাতা ও প্রশিক্ষণ খরচ দেখিয়ে পাচার করা হয় ৪৩ কোটি ৮৭ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।ডেসটিনির শত কোটি টাকা পাচার

ডেসটিনির দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বিদেশে ১০০ কোটির বেশি টাকা পাচারের ওই তথ্য উল্লেখ করা হয়। ওই দুটি পর্যায়ে সর্বমোট ১০০ কোটি ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯৫ টাকা পাচার করা হয়। তদন্ত কমিটি গত সোমবার কমিশনে ১,৩০০ পৃষ্ঠার দুটি প্রতিবেদন পেশ করেছে। কমিশনের অনুমোদনক্রমে আগামী রোববার মামলা দুটির চার্জশিট পেশ করা হবে আদালতে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীর কলাবাগান থানায় দায়ের করা ৩৩ নম্বর মামলার আসামিরা বেস্ট এভিয়েশনের অধীনে বিমান লিজ, গ্রাউন্ড সার্ভিস ইকুইপমেন্ট, বিমানের পার্টস আমদানি, বৈদেশিক ত্রুক্রদের বেতন-ভাতা ও প্রশিক্ষণ খরচের নামে ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের জুন পর্যন্ত ৪১ কোটি ১৯ লাখ ৭৯ হাজার ৮৫৫ টাকা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, থাইল্যান্ড, হংকং ও সিঙ্গাপুরে পাচার করা হয়। ডেসটিনি এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজের অধীনে বীজ আমদানির নামে হংকংয়ে পাচার করা হয় ১ কোটি ৪৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া ডেসটিনি এয়ার সিস্টেমস লিমিটেডের অধীনে ইয়েমেন এয়ারওয়েজের জেনারেল সেলস এজেন্টশিপসহ কার্গো জিএসএ নেওয়ার জন্য ১ কোটি ২১ লাখ ৫ হাজার টাকা ইয়েমেনে পাচার করা হয়।

কলাবাগান থানার ৩২ নম্বর মামলার আসামিরা ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন লিমিটেডের অধীনে প্রবাসী বাঙালিদের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন প্যাকেজে ৬ কোটি গাছ বিক্রি দেখিয়ে সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগকারীদের সম্মানী দেওয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্র, হংকংসহ অন্যান্য দেশে পাচার করা হয় ৫৬ কোটি ১৯ লাখ ১৯ হাজার ৪০ টাকা।

তদন্ত প্রতিবেদনে এমএলএম ব্যবসার নামে দুটি মামলায় সর্বমোট ৪ হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রতিবেদনে দুটি মামলার আসামির তালিকায় ৫৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৩২ নম্বর মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ও ৩৩ নম্বর মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা হলেন উপপরিচালক মোজাহার আলী সরদার। দুটি মামলার তদন্ত শেষ করতে দেড় বছরের বেশি সময় লেগেছে।

অধিক লাভের প্রলোভন দেখিয়ে সংগ্রহ করা ৩ হাজার ২৮৫ কোটি টাকা পাচার/স্থানান্তর/রূপান্তর করে আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান ও ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল (অব.) হারুন অর রশিদ ও গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীনসহ ডেসটিনি গ্রুপের ২২ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ওই দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। মামলার অভিযোগ তদন্তে আত্মসাৎকৃত অর্থ ও আসামির সংখ্যা বেড়েছে।

মন্তব্য
সর্বশেষ ১০ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved