rss

সেহরি ও ইফতার | রমজান-

শিরোনাম
বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ফ্রান্স, বিৃবতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র <> 'অধিকার' সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও পরিচালক নাসির উদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন <> অবরোধকারীদের ছোড়া পেট্রল বোমায় দগ্ধ বীমা কর্মকর্তা শাহীনা আক্তার (৩৮) ও ফল ব্যবাসায়ী মো. ফরিদ (৫০) মারা গেছেন <> সংখ্যালঘুদের ওপর বারবার হামলা হলে তার পরিণাম হবে আত্মঘাতী, মন্তব্য যোগাযোগমন্ত্রীর <> ভারতের মহারাষ্ট্রে চলন্ত ট্রেনে আগুন লেগে এক নারীসহ অন্তত ৯ জন নিহত
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০১৪, ০২:৪৬:০২ | আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০১৪, ১৩:১৫:৪০অ-অ+
printer

এবার দেশ বাঁচান

'নিয়ম রক্ষা'র নির্বাচনের পর দুই নেত্রীর প্রতি বিশিষ্টজনের আহ্বান
বিশেষ প্রতিনিধি

কেউ বলছেন, নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। কারও মতে, 'একতরফা' নির্বাচন। যারা একেবারেই সরকারের ঘোরতর বিরোধী তারা বলছেন, 'তামাশার' নির্বাচন, 'কলঙ্কিত' নির্বাচন। তবে সরকার বরাবরই বলে আসছে ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।এবার দেশ বাঁচান

প্রধানমন্ত্রী গতকালও এক সংবাদ সম্মেলনে 'সাংবিধানিক ধারা' রক্ষার কথাই বলেছেন। যে বিশেষণেই বিশেষায়িত করা হোক না কেন, 'একটা নির্বাচন' তো হয়ে গেছে। হোক না সে নির্বাচনে জাল ভোটের ছড়াছড়ি। হোক না 'অনেকটা ভোটারবিহীন'। এসব মন্তব্য তাদের যারা দেশ নিয়ে, দেশবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশা, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা নিয়ে ভাবেন এবং অকপটে কথা বলেন সেসব বিশিষ্টজনের।

তারা বলেছেন, রাজনীতির নামে নজিরবিহীন সহিংসতা, লাগাতার অবরোধ-হরতালে দেশের অর্থনীতির অপূরণীয় ক্ষতি সাধন করেছে বিরোধী দল। পাশাপাশি বিরোধীদের ওপর সীমাহীন নির্যাতন চালিয়েছে সরকারের প্রশাসনযন্ত্র। সংবিধানে সংরক্ষিত অধিকার থেকে তাদের বঞ্চিত করা, বিরোধীদলীয় নেতাকে কার্যত গৃহবন্দি রেখে একটি অগ্রহণযোগ্য নির্বাচন করেছে সরকার।

তারা বলেছেন, আর বিলম্ব নয় অন্ধ রাজনৈতিক স্বার্থ ভুলে গিয়ে খাদের পাশে ঠেলে দেওয়া দেশকে বাঁচান, মানুষকে বাঁচান। সংঘাত-সহিংসতার পথ ও জামায়াতকে পরিত্যাগ করে দ্রুত আলোচনায় বসার তাগিদ দিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে তারা বলেছেন, নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে এবার চূড়ান্ত ফয়সালায় আসতে হবে।

বিশিষ্ট নাগরিকরা সমকালকে আরও বলেছেন, অন্ধকার থেকে আলোর পথে উত্তরণে আবারও দুই প্রধান দলের নীতিনির্ধারকদের শুভবুদ্ধির উদয় না হলে অন্ধকারে আলো ফুটবে না। অনিবার্যভাবে সহিংস জঙ্গিগাষ্ঠী আরও শক্তি সঞ্চয় করবে। ফলে দেশ, জাতি ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে।

এ বিপদ থেকে রক্ষার জন্য সমঝোতার কোনো বিকল্প নেই। সংবিধান প্রণেতা প্রখ্যাত আইনজীবী ড. কামাল হোসেন সমকালকে বলেন, 'স্বাধীনতার ৪২ বছর পর যেভাবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, তাতে একজন নাগরিক হিসেবে লজ্জাবোধ করছি।'

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, এখন দেশ সামনে এগিয়ে যাবে যদি খুব দ্রুত রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতার মাধ্যমে সংকট কাটাতে পারে আর দেশ পিছিয়ে যাবে যদি জরুরি অবস্থা জারি করে যে কোনো মূল্যে ক্ষমতা ধরে রাখার রাজনীতি হয়।

এখন রাজনীতিবিদরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন, না পেছনে ঠেলে দেবেন, এটাই দেখার অপেক্ষা। সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে নির্বাচনের দিনেই প্রার্থীরা অনেক অভিযোগ করেছেন, সংবাদমাধ্যমে প্রচুর অভিযোগ উঠেছে, নিরাপত্তার অভাব দেখা গেছে, এগুলোর দায় নির্বাচন কমিশনের ওপরই চলে আসে। এ কারণে দায়িত্ব নিয়ে নির্বাচন কমিশনকেই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখতে হবে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় যতটা যথার্থ, নৈতিক মানদণ্ডে ততটাই প্রশ্নবিদ্ধ। প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের কোনো সমাধান দেয়নি। এ জন্যই এখন দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করে রাজনৈতিক সমাধানে পেঁৗছতে হবে রাজনীতিবিদদেরই।

প্রহসনের নির্বাচনের নতুন অধ্যায় :বিরোধী জোটের বর্জন, নজিরবিহীন নাশকতা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন ঘিরে জাতির ইতিহাসে রক্তাক্ত অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে নগণ্য ভোটারের উপস্থিতি, ফ্রি স্টাইলে কেন্দ্র দখল, জালভোট এ নির্বাচনকে রীতিমতো প্রহসনের নির্বাচনে পরিণত করেছে।

এমনকি নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও নির্বাচনে ভোট পড়ার হার বাড়ানোর জন্য কূটকৌশল চলছে বলে জানা গেছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের দিনেই নাশকতা ও সহিংসতায় ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের তালিকায় সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, আনসার সদস্যও রয়েছেন। আতঙ্কই হোক আর প্রধান বিরোধী দলের বর্জনের প্রভাবেই হোক, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল একেবরেই নগণ্য। ৪২টি কেন্দ্রে একজন ভোটারও ভোট দিতে যাননি।

এর মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয় ওইসব এলাকার সরকারি দলের নেতাকর্মী-সমর্থকরাও ভোট দিতে যাননি। প্রায় ভোটারবিহীন এ নির্বাচনে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রসহ অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায়ই অবাধে জাল ভোট পড়েছে। পাবনায় খোদ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ছেলে প্রকাশ্যে নেতৃত্ব দিয়ে কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়েছেন।

কেন্দ্র দখলের অভিযোগে নির্বাচনের দিনেই ৪২ স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করেছেন। এর আগে ১৯৮৮ সালে এরশাদের স্বৈরশাসনের সময় এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন জাতির ইতিহাসে কলঙ্কের নির্বাচন হিসেবে চিহ্নিত ছিল। এবার তালিকায় যোগ হলো ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামটিও।

দেশের স্বার্থে সমঝোতায় আসুন :ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ড. কামাল হোসেন নির্বাচনের দিন দেশে ছিলেন না। যোগাযোগ করা হলে গতকাল সোমবার ব্যাংকক থেকে টেলিফোনে তিনি সমকালকে বলেন, নির্বাচনের দিন দেশে না থাকলেও টিভি পর্দায় চোখ রেখে তিনি পুরো নির্বাচনের চিত্রই দেখেছেন।

তিনি বলেন, নাগরিক হিসেবে খুবই লজ্জাবোধ করছি। স্বাধীনতার ৪২ বছর পর এমন একটি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে হলো। কেন এমন নির্বাচন হবে, কেন সমঝোতা হবে না, ঐক্যের রাজনীতির বাধাগুলো কেন দূর করা যাবে না, এটা গভীরভাবে ভাবতে হবে। দেশে ফিরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে এ নিয়ে আরও বিস্তারিত বলবেন বলে জানান।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেন, নির্বাচনে যা হয়েছে তা সবাই দেখেছে। এ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ নির্বাচনের পর দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে, না পিছিয়ে যাবে? দেশ অগ্রসর হবে যদি রাজনৈতিক দলগুলো সমাধানে পেঁৗছে এবং রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হয়।

এ ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা এবং দায়িত্ব দুটিই বেশি। আবার সরকার যদি 'ইমার্জেন্সি' দিয়ে যে কোনো মূল্যে ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তাহলে দেশ নিশ্চিতভাবেই পিছিয়ে যাবে। এখন অপেক্ষা, সরকার কোন পথে যায়, রাজনীতিবিদরা কোন ধরনের রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠিত করতে চান।

তিনি বলেন, একটা নির্বাচন মানেই সংকটের সমাধান নয়, সমঝোতা এবং আস্থার সংস্কৃতি রাজনীতিতে স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা না পেলে সংকটের স্থায়ী সমাধানও হবে না।

সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক বলেন, দিনের আলোতে থেকেও যদি কেউ প্রশ্ন করে এখন দিন না রাত, তাহলে এর জবাব দেওয়ার কোনো অর্থ হয় না। ৫ জানুয়ারির নির্বাচন কেমন হয়েছে, তার জবাবও হয় না, কারণ এটা একবাক্যে প্রহসনের নির্বাচন। তিনি বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এখন অতীত।

এ নির্বাচন নিয়ে যতই প্রশ্ন থাকুক না কেন, সাংবিধানিকভাবে তা বৈধ। এ নির্বাচনের ফল বাতিলের সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই। এখন একাদশ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলের মধ্যে যত তাড়াতাড়ি সমঝোতা হবে, ততই জাতির জন্য মঙ্গলজনক। অন্যথায় অমঙ্গলের অশনিসংকেত।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সমকালকে বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় যতটা যথার্থ, ততটাই প্রশ্নবিদ্ধ নৈতিক মানদণ্ডে। প্রশ্নবিদ্ধ, বিতর্কিত একটি নির্বাচনের মাধ্যমে তাই সংকটের সমাধানের পথও সৃষ্টি হয়নি।

বরং সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। সহিংসতা, নাশকতার রাজনীতির আরও বিস্তৃতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, দেশ বাঁচাতে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার স্বার্থে সরকারকে দ্রুত সমাঝেতার মাধ্যমে সব দলের অংশগ্রহণে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথে যেতে হবে। অন্যদিকে বিরোধী দলকেও জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সহিংস রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

সরকারের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেমন সমর্থনযোগ্য নয়, আন্দোলনের নামে নাশকতা, নৃশংসতাও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ কারণে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি না করে সরকারের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ যেমন বন্ধ করতে হবে, তেমনি বিরোধী দলকে সহিংসতা ছেড়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে হবে এবং অবশ্যই যুদ্ধাপরাধে অভিযুক্ত সহিংস শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রহসনের নির্বাচন আগের দিন হতাশ করেছিল। পরের দিন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য হতাশা আরও বাড়িয়েছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলনে বিপুল বিজয়ের জোয়ারে থাকা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, তিনি বিরোধী দলকে সংখ্যা দিয়ে বিচার করবেন না, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করবেন।

নিজ দলের নেতাদেরও উগ্র আচরণ না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে যে বক্তব্য দিলেন, তাতে সংকট সমাধান নয়, বরং নিয়মরক্ষার নির্বাচনকে আশ্রয় করেই পূর্ণ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এটাই দুর্ভাগ্যজনক। সাধারণ নাগরিক হিসেবে প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক সংকট রাজনৈতিকভাবেই সমাধানের কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে জাতিকে নাশকতার রাজনীতি থেকে রক্ষা করবেন।

সাবেক নির্বচন কমিশনাররা যেভাবে দেখছেন :১৯৯৬ সালের জুন মাসে বিচারপতি হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করা আবু হেনা সমকালকে বলেন, একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন তখনই সম্ভব হয়, যখন সবার অংশগ্রহণ থাকে এবং নির্বাচন কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করে।

সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন এবং সবাই প্রত্যাশা করে নির্বাচন কমিশন জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেবে। একটা নির্বাচন যখন সম্পন্ন হয়, তখন তার মূল্যায়নটাও হয় জনগণের প্রত্যাশা থেকে। একটা নির্বাচন হওয়ার পর ওই নির্বাচন জনগণের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করেছে, সেটা নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টিও নির্ধারণ করে।

২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে প্রার্থীরা অনেক অভিযোগ করেছেন। সংবাদমাধ্যমেও প্রচুর অভিযোগের তথ্য এসেছে।

বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তার অভাব দেখা গেছে, নির্বাচনী কেন্দ্র করা হয়েছে এমন অনেক স্কুল পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছ। এগুলো কেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কারণ এর দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের ওপরই এসে পড়ে। ভোট পড়ার হার কত ছিল, এটা নিয়েও একটা অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। এ অস্পষ্টতা দূর করার দায়িত্বও নির্বাচন কমিশনের।

মন্তব্য
সর্বশেষ ১০ সংবাদসর্বাধিক পঠিত
এই পাতার আরো খবর
সম্পাদক : গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ কে আজাদ
ফোন : ৮৮৭০১৭৯-৮৫  ৮৮৭০১৯৫
ফ্যাক্স : ৮৮৭০১৯১  ৮৮৭৭০১৯৬
বিজ্ঞাপন : ৮৮৭০১৯০
১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ বেআইনি
powered by :
Copyright © 2017. All rights reserved